জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুমেন এ তথ্য জানিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কোরবানির ঈদ এবং দুর্গা পূজার ছুটির কারণে করদাতারা রিটার্ন জমা দিতে না পারার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সময় ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।”
ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন সংগঠেনর আবেদনের বিষয়টিও সময় বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বর্ধিত সময়সীমা অনুযায়ী, ২ নভেম্বর রোববার রিটার্ন জমার শেষ দিন ছিল।
আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, পহেলা জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমার নিয়ম থাকলেও প্রথম দফায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়।
গতবারও কয়েক দফায় সময় বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা নিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আশানুরুপ রিটার্ন জমা না পড়ায় সময় আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে।
ঐ কর্মকর্তা জানন, ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সবমিলিয়ে পাঁচ লাখের মতো করদাতা আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছেন। গতবার মোট দশ লাখের মতো রিটার্ন জমা পড়েছিল।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) ব্যক্তির সংখ্যা ১৮ লাখের মতো।
ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন সংগঠেনর আবেদনের বিষয়টিও সময় বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বর্ধিত সময়সীমা অনুযায়ী, ২ নভেম্বর রোববার রিটার্ন জমার শেষ দিন ছিল।
আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, পহেলা জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমার নিয়ম থাকলেও প্রথম দফায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়।
গতবারও কয়েক দফায় সময় বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা নিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আশানুরুপ রিটার্ন জমা না পড়ায় সময় আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে।
ঐ কর্মকর্তা জানন, ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সবমিলিয়ে পাঁচ লাখের মতো করদাতা আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছেন। গতবার মোট দশ লাখের মতো রিটার্ন জমা পড়েছিল।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) ব্যক্তির সংখ্যা ১৮ লাখের মতো।
No comments:
Post a Comment